লায়নের ছেলে লায়নের দেখানো পথেই হাঁটছেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: করোনাভাইরাসা সংক্রমণ রোধে মানুষ কর্মহীন হয়ে দিশেহারা। মানুষ ইচ্ছে হলেই ঘর থেকে বের হয়ে কাজে যোগ দিতে পারছে না। ফলে দেখা যায় যারা দিনাতিপাত করে সংসার চালায় তারা আজ নিমজ্জমান। সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কর্মহীন মানুষদের জন্য খাদ্যসামগ্রী প্রদান করছেন। পাশাপাশি সমাজের উচ্চবৃত্ত পরিবারের লোকজন কর্মহীনদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। পিছিয়ে নেই বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণও।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে জানা যায়, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শেখ ওমর ফারুক তাঁর বাবার মত তিনিও দানে এগিয়ে রয়েছেন এমন মন্তব্যই এখন ইউনিয়নবাসীর মুখে উঠেছে। এলাকার অনেকেই বলছেন লায়নের ছেলে লায়নের মত করে মানুষকে দান করে যাচ্ছেন

চেয়ারম্যান শেখ ওমর ফারুক সুলতানপুর ইউনিয়নে উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করার পর থেকে ইউনিয়নবাসীর সুবিধার জন্য নিজস্ব অর্থায়নে  মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ১৫০টি হ্যাজাক লাইট গ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে স্থাপন করেছেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে এলকায় তিন লক্ষ টাকা খরচ করে  সচেতনামূলক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে মাইক সার্ভিস, ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদি করেছেন।

তিনি তাঁর ইউনিয়নের অসহায় পরিবারকে প্রথম ধাপে ৫ টন চাল, আড়াই টন আলু, দেড় টন ডাল। দ্বিতীয় ধাপে দুই টন চাল, ১ টন আলু,  ৫০০ কেজি ডাল,  নগদ টাকাসহ ২৩০০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর তহবিল থেকে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ঔষধপত্র, পিপিই, হ্যান্ড গ্লাভস, মাক্স জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কর্মীদের দিয়েছেন।  তৃতীয় ধাপে ৪ টন চাল, ২ টন আলু ও ১ টন ডাল বিতরণ করা হয়েছে।

বাদ পড়েনি মসজিদ মাদ্রাসার ইমামগণ ও মোয়াজ্জিনগণও। তিনি ইউনিয়নের  ১০৭ টি মসজিদ-মাদ্রাসা ইমামদেরকে নগদ ৫০০ টাকা ও মোয়াজ্জিনকে  ২০০ টাকা এবং ৫ কেজি চাল,  ১ কেজি ডাল ও ২ কেজি আলু খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেছেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য ২৫ টি মন্দিরে পুরোহিতদের একইভাবে ৫০০টাকা  করে প্রদান করেছেন। তিনি দেড় মাসে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন