“বিজয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান জনগণের চেয়ারম্যান” দীপ চৌধুরী বাপ্পী

দীপক চৌধুরী বাপ্পী
কলামিস্ট

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলা ২০১০ সালে গঠিত হয়। উপজেলা গঠন হওয়ার পর ২০১৪ সালে সেখানে উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী এড. তানভীর ভূইয়া জনগণের ভোট নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৯ উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিমা মুকাই আলী ইলেক্ট্রনকি ভোটিং পদ্ধতিতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী।

তিনি বলেন, চরইসলামপুর বিজয়নগর উপজেলার একটি ইউনিয়ন। সেখানে গত উপজেলা নির্বাচনে নাসিমা মুকাই আলী যিনি নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে ১টি ভোটও পাননি। কারণ ছিল অন্য। সে প্রসঙ্গে আমি কিছু বলছি না। এক হাতে জনগণকে রক্তচক্ষু দেখিয়ে ভোট নেয়া হয়েছে। তা না হলে ফলাফল হয়তো অন্য রকম হতো। মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। নির্বাচনের সময় মনে হতো চরইসলামপুর বিজয়নগরের বাইরে কোন একটি জায়গা। নির্বাচনের সময়ে নাসিমার একটি পোস্টার পর্যন্ত লাগাতে পারেনি চরইসলামপুরে। ভোট চাওয়াতো দূরের কথা। যাক তারপরও বিজয়নগরের জনগণ নাসিমা মুকাই আলীকেই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছে। তাকে মাঠ থেকে সরাতে তার গাড়িবহরে হামলা ভাংচুরসহ অগ্নিসংযোগও করা হয়েছে। মানুষ এসবের জবাব ঠিকই দিয়েছে। পেশীশক্তির জোর জনপ্রতিনিধি হওয়া আর জনগণের সরাসরি ভোটে জনপ্রতিনিধির মধ্যে এখানেই প্রার্থক্য।

প্রতিদিনই তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এলাকার উন্নয়নে কী করতে পারবেন জানি না। তবে তাঁর আন্তরিতকার কমতি নেই। বিজয়নগরের জনগণের মূল আস্থা-ভরসার জায়গা হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর অভিভাবক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক জনাব র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি। তিনি বিজয়নগরকে আধুনিকতায় গড়ে তুলেছেন। তিনি প্রতিনিয়ত এলাকার খোঁজ খবর রাখছেন। এাণও পৌঁচাচ্ছেন বিভিন্ন ইউনিয়নে । এযাবৎকালে বিজয়নগরে মোকতাদির চৌধুরী কয়েক শত কোটি টাকার উন্নয়ন করেছেন। বিগত সময়ে জনৈক জনপ্রতিনিধিকে লম্বা লম্বা বক্তাৃতা ছাড়া কিছুই করতে দেখা যায়নি। তবে মাঝে মধ্যে নানা অপকর্মের কথা মিডিয়ায় দেখা যেত। যা বিজয়নগরের মানুষ অবগত রয়েছেন। নাসিমা মুকাই আলী মোকতাদির চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে কাজ করে চলছেন।

চরইসলামপুরে চলমান করোনা ভাইরাসের সময়ে গতকাল অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নিজ অর্থায়েন ৫ শতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা করেছেন। বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন। শুনেছি চরইসলামপুরের মানুষ তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নাসিমা মুকাই আলীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি চরইসলামপুর ছাড়াও সকল ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দকৃত খাদ্যদ্রব্যের বাইরে ব্যক্তিগত সহায়তা প্রদান করছেন। এ হল জনগণের ভোটে নির্বাচিত সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি। অভিনন্দন বিজয়নগরের সংগ্রামী জনসাধারণ ও নাসিমা মুকাই আলীকে। এগিয়ে যান। বিজয়নগরবাসি অবশ্যই ভালো কাজে আপনার পাশে থাকবে। আপনার প্রতি আবারো শুভ কামনা রইল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন